Skip to main content

Market Statementation - বাজার বিবৃতি


বাজার বিবৃতি -


প্রত্যেক সংস্থা বাজারে কোন দ্রব্য বা পরিষেবা বিক্রয় বারবার আগে তারা বাজারটিকে ভালো করে বুঝে নেয় তারা প্রয়োজন অনুসারে বাজার গবেষণা চালায়। বাজারে গবেষণা চালাবার সময় প্রত্যেক সংস্থা বাজার কে একাধিক ভাবে বিভক্ত করে যেমন গ্রামীণ বাজার, মফঃস্বল বাজার, শহরের বাজার ইত্যাদি। এই ধরনের বাজারের শ্রেণী বিভক্তি করণকে বলা হয় বাজার বিভাজন। অধিকাংশ সংস্থাই বাজার বিভাজন সাহায্যে বুঝতে পারে বাজারের পরিস্থিতি বাজারে কোন দ্রব্য বেশি বিক্রি হতে পারে তা বোঝা যায় এই বাজার  বিভাজনের পদ্বতির দ্বারা। বাজার গবেষণা করবার সময় এক এক ধরনের বাজারের ওপর এক এক রকমের গবেষণা চালায়। যার থেকে উঠে আসে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ব্যবসায়িক সংস্থা গুলি শুধু মাত্র কোন একটি দ্রব্য বা পরিষেবা বাজারে নাম্বার আগে এই ধরনের বাজার বিভাজন সর্বত্র ক্ষেত্রে ই প্রত্যেক বিক্রয় বা পরিষেবা প্রদানের পরেও সংস্থা গুলি বাজার বিভাজন করে চালায় নানা রকমের গবেষণা। যার সাহায্যে তারা বুঝতে পারে কোন বাজারে কি ধরনের চাহিদা আছে বা কোন বাজারে বিক্রয়ের হার কত । 

       বাজার বিভাজন বিজ্ঞাপনের জন্য অতি প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞাপন দাতারা বাজারে বিজ্ঞাপন দেবার আগে বাজার বিভাজন করে নেয়।সকল বিজ্ঞাপন সকল বাজারের জন্য নয়। বিজ্ঞাপন দাতারা নির্দিষ্ট বাজারের জন্য নির্দিষ্ট প্রকাশের বিজ্ঞাপন দেয়। বিজ্ঞাপন দেবার আগে বাজার বিভাজন করে নির্দিষ্ট বাজারের ওপর চালায় নানা গবেষণা দেখে নেয় কোন বাজার টি লাভ জনক আর কোন বাজার টি অলাভজনক। সেই অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দাতারা বিজ্ঞাপন দেয়। বাজার গবেষণার সাহায্যে তারা বুঝে নেয় ক্রেতাদের চাহিদা, ইচ্ছা ও দ্রব্য পরিষেবা কেনার ক্ষমতা। 

     গামীন সংবাদ পত্রের বিজ্ঞাপন গামীন বি মফঃস্বল বা ছোট আকারের বাজারের জন্য ব্যবহৃত হয়। আবার জাতীয় স্তরের সংবাদ গুলিতে যে বিজ্ঞাপন গুলি প্রকাশ হয় তা রাজ্য স্তরে বা জাতীয় স্তরের বাজারের জন্য। অপরদিকে বেরিয়ে ও টেলিভিশনে যে সব বিজ্ঞাপন গুলি প্রকাশিত হয় সে গুলি ও রাজ্য স্তর বা জাতীয় স্তরের বাজারের জন্য বেতার ও বিজ্ঞাপনের খরচ ও অনেক বেশি সংবাদ পত্রের বিজ্ঞাপনের তুলনায় তাই এই ধরনের বিজ্ঞাপন বৃহত্তর আকারের বাজারের জন্য ব্যবহৃত হয়

                                -Tiyasha Das.

Comments

Popular posts from this blog

Film production steps in bengali চলচ্চিত্র নির্মাণ কৌশলের ধাপ

 চলচ্চিত্র নির্মাণ কৌশলের ধাপ চলমান চিত্রই হলো চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রের প্রভাব এবং প্রচার আধুনিক সমাজে যে কতটা তা না বললেও চলে। চলচ্চিত্র একপ্রকারের দৃশ্যমান বিনোদন মাধ্যম। যেখানে একসঙ্গে দৃশ্য ও শ্রাব্য দুটিই উপভোগ করা যায়। বিনোদন দুনিয়ায় সবচেয়ে দৃঢ় এবং বিশ্বাসযোগ্য মাধ্যমের মধ্যে চলচ্চিত্রের স্থান শীর্ষে। এই চলচ্চিত্র শব্দটি এসেছে  চলমান চিত্র তথা 'মোশন পিকচার' থেকে। সাধারণত চলচ্চিত্রের ধারণা শুরু হয় ঊনবিংশ শতকের শেষ দিক থেকে। বাংলায় চলচ্চিত্রের প্রতিশব্দ হিসেবে ছায়াছবি, সিনেমা, মুভি বা ফিল্ম শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।                   একটি চলচ্চিত্রের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায় হলো চলচ্চিত্র নির্মাণ কৌশল। চলচ্চিত্র নির্মাণ হলো একটি প্রারম্ভিক পর্যায়। কারণ এই নির্মাণ কৌশলের ওপর ভিত্তি করেই একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র তৈরি হয়। চলচ্চিত্র নির্মাণ হলো প্রচুর সময়, ধৈর্য আর অমায়িক পরিশ্রমের একটি পরিনতিমাত্র। একটি চলচ্চিত্র নির্মাণকে তিনটি স্তরে ভাগ করা যায়– ১) প্রি-প্রোডাকশন            ২) প্রো-প্রোডাকশন  ...

Dominant Paradigm in bengali - উন্নয়নের প্রভাবশালী দৃষ্টান্ত

 উন্নয়নের প্রভাবশালী দৃষ্টান্ত উন্নয়নের পশ্চিমা মডেল  ১৯৫০ এবং ১৯৬০ এর দশকে প্রাধান্য পেয়েছিল।  আধুনিকীকরণের দৃষ্টান্ত ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের খুব শীঘ্রই উত্থিত হয়েছিল। "অনুন্নত দেশগুলিকে" তাদের আধুনিকায়নের মাধ্যমে এবং মুক্ত-বাজারের পদ্ধতির মাধ্যমে দারিদ্র্যের পরিস্থিতি থেকে বের করে আনা একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে উন্নয়নের কল্পনা করেছিল।  এই দৃষ্টান্তের উৎস , নীতি এবং প্রয়োগগুলি উত্তরোত্তর বছরগুলির ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা উচিত, এটি শীত যুদ্ধের সময় হিসাবেও পরিচিত।  সেই ধারাটিতে যখন বিশ্ব প্রভাব দুটি পরাশক্তি দ্বারা পোলারাইজ করা হয়েছিল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন।  তাদের প্রভাব উন্নয়ন সহ আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে প্রতিটি ক্ষেত্রে পৌঁছেছে।  এই প্রসঙ্গে, পশ্চিমা দেশগুলির রাজনৈতিক বিজ্ঞানী এবং পণ্ডিতদের দ্বারা প্রচারিত আধুনিকীকরণের দৃষ্টান্ত সামাজিক জীবনের প্রতিটি মাত্রায় এতটাই শক্তিশালী এবং এতটাই বিস্তৃত হয়ে উঠল যে এটি "প্রভাবশালী দৃষ্টান্ত" হিসাবেও পরিচিতি লাভ করে।  রজার্স (১৯৬০) এটিকে উন্নয়নের ক্ষেত্রে "প...

RIGHT TO INFORMATION (R.T.I.) in Bengali - তথ্যের অধিকার সংক্রান্ত আইন

তথ্যের অধিকার সংক্রান্ত আইন : RIGHT TO INFORMATION (R.T.I.) ২০০৫ সালে কেন্দ্রীয় সরকার প্রযোজ্য আইন এই তথ্যের অধিকার সংক্রান্ত আইন বা আর. টি. আই. ২০০৫ সালের ১৫ই জুন কেবল জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য ছাড়া সমগ্র ভারতবর্ষে লাগু হয়এই আইন। এই আইন অনুযায়ী ভারতবর্ষের প্রতিটি সাধারণ মানুষের অধিকার সরকারি দফতরের প্রতিটি তথ্য গুলি জানার। ইহার উদ্দেশ্য প্রত্যেক জন কর্ত্তৃপক্ষের কাজে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার উন্নতি ঘটানো, কেন্দ্রীয় তথ্য আয়োগ ও রাজ্য তথ্য আয়োগ স্থাপন এবং তত্সম্পর্কিত বা তত্সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি নির্দিষ্ট করা। কিভাবে কাজ করে এই নিয়ম গুলি? যেহেতু ভারতবর্ষের প্রতিটি সাধারণ মানুষ ট্যাক্স দিয়ে থাকেন কিংবা কর দিয়ে দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে তার অধিকার যে সরকার দ্বারা সমস্ত তথ্য সঠিক ভাবে জানা। এবং সরকারি সমস্ত তথ্য গুলি জানা। এর মারফত জনগণ নিজেকে শক্তিশালী কিংবা ক্ষমতাবান বলে মনে করতেই পারেন। কর দেওয়ার জন্য তাদের কর বা ট্যাক্স গুলি কিভাবে সরকার ব্যবহার করছেন তা জানা জনগণের অধিকার। এবং সরকারকে প্রশ্ন করাও সেই অধিকারের মধ্যেই পরে থাকে। এক্ষেত্রে দশটি নিয়মাবলি মেনে চলা হয়, অর্থাৎ জনগণ কোন কোন বিষয়ের ওপর প্রশ...